পাটখাতের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০১-০২-২০১৯, সময়: ০২:০৩ |

খুলনা মেইল ডেস্ক

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীক বলেছেন, দেশের পাটখাতের উন্নয়নে সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

বৃহস্পতিবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পাটখাত সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডার/সমিতি/অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আয়োজিত সভায় তিনি একথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ‘সোনালী আঁশ পাটের উৎপাদন ও বহুমুখী ব্যবহারে উৎসাহিত করে পাট চাষীদের সোনালী স্বপ্নপূরণে জোরদার পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এজন্যে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ এর বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিরোধী প্লাস্টিক পলিথিন ব্যবহার বন্ধে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে, দেশের পাটখাতের উন্নয়নে সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’

 

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকার তার অভীষ্ট লক্ষ্যে অগ্রসরমান। পাটশিল্পে সরকারের সুদক্ষ নেতৃত্ব ও পরিচালনা নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। পাট শিল্পের এ অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে শেখ হাসিনার সরকার দেশের অভ্যন্তরে ১৯টি পণ্য যথা ধান, গম, চাল, ভুট্টা, চিনি এবং সার ইত্যাদি মোড়কীকরণের ক্ষেত্রে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন, রপ্তানী বৃদ্ধি, দেশের অভ্যন্তরে পাটপণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি, পাটের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ ও পরিবেশ রক্ষায় পণ্যের মোড়কীকরণে পাটের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের জন্য আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।’

 

সভায় ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন -২০১০’ এর সুষ্ঠু বাস্তায়নের লক্ষ্যে ফের বিশেষ অভিযান পরিচালনা, পাটকে প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্য হিসাবে স্বীকৃতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি, যথাযথ বিবেচনায় না নিয়ে আর কাঁচা পাট রপ্তানি বন্ধের মত সিদ্ধান্ত না নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

 

মন্ত্রী এ সকল দাবি ও পরামর্শ সম্পর্কে বলেন, ‘এ খাতে যে সব সমস্যা রয়েছে তা সরকার অবগত আছে। এ সমস্যা দূর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ এর সুষ্ঠু বাস্তায়নের জন্য তিনি সকল পক্ষের সার্বিক সহযোগিতা চান।

 

সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, এমপি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ মিজানুর রহমান, বিজেএমসি’র চেয়ারম্যান শাহ মো: নাসিম, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: শাসছুল আলম, শির্পাস কাউন্সিল অব বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট রেজাউল করিম, বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএমএ), বিজেএ, বিজেএসএ, পাট চাষী সমিতির প্রতিনিধি ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য টি শেয়ার করুন
  • 43
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    43
    Shares

Leave a comment

উপরে